বিল পাসের আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আলোচনা করছি, তখন আমাদের সংসদের সামনে আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড ভেঙে অবস্থান নিয়েছে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়ন বা তাঁদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধান করার দাবি জানান।
এআই-নির্মিত শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগপত্র
তখন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকালকে যে পদার্থবিজ্ঞানের পরীক্ষা হয়েছে, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষা হয়েছে। এ পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল, অনেকেই ভিজেছে এবং অনেকেই পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি এমন অভিযোগ এসেছে। আমরা যদিও সব সময় পর্যবেক্ষণের মধ্যে ছিলাম, তারপরও শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে এ পরীক্ষাটি নিয়ে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইতিমধ্যে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের প্রতিটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি, আমাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা ভেবেচিন্তে দেখেছি, চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা যখন নিতে যাব—পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা, সে সময় আমরা এ পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব ইনশা আল্লাহ।’