ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedসিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ

সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক:

জিম্বাবুয়ে সফরে আবার জয়ের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তারা স্বাগতিকদের হারিয়েছে ৩৪ রানে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৮৬ রান।

 

জবাব জিম্বাবুয়ে ২ বল বাকি থাকতে ১৫২ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই জয়ে বাংলাদেশ ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা আনল।

প্রথম ম্যাচে ট্রাইগাররা হেরেছিল ৩২ রানে। সিরিজ নির্ধারণি ম্যাচ অনুষষ্ঠিত হবে আগামীকাল বুলাওয়েতে।

এক টেস্টের সিরিজ আড়াই দিনে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পেরেছিল।

কিন্তু টি-টেয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে হেরে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখল তাসকিনরা।

বুলাওয়েতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রথমবারের মতো নিজেদের সেরাটা মেলে ধরেন। সূচনাটা আসে দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিমের ব্যাট থেকে। দুই জনে হাফ সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি দলকে ১২০ রানের জুটি গড়ে দেন। উদ্বোধনী জুটিতে এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান।

১২০ রানে বাংলাদেশের জুটি ভাঙ্গে। ৫ বার ( ৮, ১৭, ১৯ ,৩৭, ৪৬) জীবন পান সাইফ হাসান ৪৫ বলে ১ ছক্কা ও ৭ চারে ৫৫ রান করেন তিনি। হাফ সেঞ্চুরি করেন ৪২ বলে। এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি।

লিটন আউট হওয়ার পরেই তানজিদ তামিমও তাকে অনুসরন করেন ৫৮ রানে। তার ৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ২ ছক্কা ও ৬ চার। ১৩তম হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি ৩৩ বলে ২ ছক্কা ও ৫ চারে।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংসে মিনি ধ্বস নামে। অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ৬, পারভেজ হোসেন ইমন ১ ও নুরুল  হাসান সোহান ৪ রান করে আউট হলে বড় ইনিংসের আশা কমে যায়। বিনা উইকেটে ১২০ রান থেকে দলের রান দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৪১। পরে ৬ষ্ট উইকেট জুটিতে  ইয়াসির আলী ও  মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১৯ বলে ৪৫ রান করলে বাংলাদেশের সংগ্রহ লড়াকু হয়।

নুরুর হাসান সোহান ১২ বলে ১ ছক্কা ও ৩ চারে ২২ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১০ বলে ৪ ছক্কায় ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন। সাইফউদ্দিন ইভান্সের করা ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম ৪ বলে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টানা ৪ ছক্কা মারেন। এনগারাবা ২৩ ও ইভান্স ৬৫ রানে নেন ২টি করে উইকেট।

জবাবে জিম্বাবুয়ে ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। পরে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে হারাতে থাকে উইকেট। ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানে তারা অলআউট হয়।

রায়ান বার্ল ২৯, অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২৮ ও ইভান্স ২৫ রান করেন। রিশাদ ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন। শেখ মাহেদী হাসান ৩ উইকেট নেন ২৪ রানে। ম্যাচ সেরা হন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular