হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিবেদক: ‘সন্তানদের জন্ম দিয়েছি, নিজের সাধ্য অনুযায়ী মানুষ করেছি। শেষ বয়সে ভেবেছিলাম, সন্তানরাই আমার পাশে থাকবে। কিন্তু এখন আমি একা। মরে গেলে আমাকে কে দাফন করবে, কোথায় রাখবে—সেই চিন্তাই আমাকে কষ্ট দেয়। তাই বেঁচে থাকতেই নিজের কবর করে রেখেছি। আমার শেষ ইচ্ছা, মৃত্যুর পর যেন এই কবরেই আমাকে দাফন করা হয়।’ আবেগঘন কণ্ঠে এসব কথা বলেন ঠাকুরগাঁওয়ের বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই সন্তানদের অবহেলায় অনেকটা নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছেন আয়েশা খাতুন। তাঁর অভিযোগ, ছেলেরা সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে তাঁর খোঁজখবর নেওয়া কমিয়ে দেন। কিছুদিন বড় ও ছোট ছেলের বাড়িতে থাকার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বনিবনা না হওয়ায় সেখান থেকেও চলে আসতে হয় তাঁকে।
স্বামীর দেওয়া আড়াই শতাংশ জমিতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় একটি ছোট ঘর তৈরি করে সেখানেই বসবাস শুরু করেন তিনি। সেই ছোট ঘরের পাশেই নিজের কবর খনন করিয়ে নিজের শেষ ঠিকানা তৈরি করে রেখেছেন।




