আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর আফ্রিকার স্পেনীয় ছিটমহল সেউতায় হঠাৎ হাজার হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর নজিরবিহীন ঢল নেমেছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার সমুদ্রসীমাতেই কড়াকড়ি আরোপ করছে স্পেন সরকার।
মরক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে সাগরে ৫০০ মিটার (১,৬৪০ ফুট) দীর্ঘ একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে দেশটি।
শনিবার (১ আগস্ট) ভোরে সিভিল গার্ডের কর্মকর্তারা তারাজাল ব্রেকওয়াটারে কাজ শুরু করেছেন। মরক্কোর উপকূল থেকে সাঁতরে দলে দলে মানুষ প্রবেশ করার পর একে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে স্পেন।
২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে রেকর্ড ৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশীর সেউতায় প্রবেশের ঘটনায় ইউরোপজুড়ে স্পেনের সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে। যদিও এদের মধ্যে প্রায় ৪৮ হাজার মানুষ ফেরত যাওয়ার দাবি তুলেছে স্পেন।
তবে এ ঘটনায় অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নজিরবিহীন এই পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২টি দেশ। সীমান্তহীন শেনজেন এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইইউর আবর্তিত সভাপতি আয়ারল্যান্ড জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছে।
স্পেনের সঙ্গে সীমান্ত কড়াকড়ির ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনিও বাইরের সীমান্ত রক্ষাকে পুরো ইউরোপের যৌথ দায়িত্ব বলে তাগিদ দিয়েছেন।
ফলে সেউতা জলসীমার এই ভাসমান প্রতিবন্ধক কেবল স্পেনের একক পদক্ষেপ নয়, বরং পুরো ইউরোপের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস
আরও পড়ুন :





