ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশময়মনসিংহময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক: এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো ফল করেছে। এ বোর্ডে এবার মোট পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।মেয়েদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৩৭ শতাংশ, আর ছেলেদের ৫২ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

সোমবার সকালে ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ. জ. ম. রেজাউল করিম খান আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল তুলে ধরেন। এ সময় বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. শাহাদত উল্লাহ ও উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহা. সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৩ হাজার ৮৭৭ জন ছাত্র এবং ৫১ হাজার ১৫১ জন ছাত্রী। তাদের মধ্যে পাস করেছে মোট ৬০ হাজার ২৭৪ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবার বোর্ডে মোট ৫ হাজার ৭০০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রী ৩ হাজার ৭৯ জন এবং ছাত্র ২ হাজার ৬২১ জন।

পাসের হারেও ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ব্যবধান উল্লেখযোগ্য। মেয়েদের পাসের হার ৬২ দশমিক ৩৭ শতাংশ হলেও ছেলেদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।

এবার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীন চার জেলার মধ্যে পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেত্রকোনা। এ জেলায় পাসের হার ৬০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এরপর ময়মনসিংহ জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮০ শতাংশ, জামালপুরে ৫৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং শেরপুরে ৫৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, চার জেলার মধ্যে নেত্রকোনায় পাসের হার সবচেয়ে বেশি হলেও শেরপুরে সবচেয়ে কম। আর পুরো বোর্ডে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা দুই ক্ষেত্রেই সাফল্য বেশি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular