ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন জার্সি উন্মোচন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন জার্সি উন্মোচন করা হয়।
নতুন জার্সির অফিসিয়াল সংস্করণের দাম ১,৬০০ টাকা। খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বরসহ জার্সির দাম ১,৭০০ টাকা। আর সমর্থকদের জন্য ফ্যান এডিশনের দাম রাখা হয়েছে ৭০০ টাকা।
জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান দৌড়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবিদ আলম জানিয়েছেন, উন্নতমানের কাপড় ব্যবহারের পাশাপাশি উৎপাদন, বিপণন ও বিতরণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় নতুন জার্সির দাম আগের তুলনায় বেশি।
তবে দাম নিয়ে আপত্তির কারণ দেখছেন না আবিদ। তার দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বাংলাদেশের জার্সির দাম এখনো প্রতিযোগিতামূলক এবং তার জানা মতে এটি বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের জাতীয় দলের জার্সি।
জার্সি বিক্রি থেকে বাফুফে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রয়্যালটি পাবে বলেও জানিয়েছেন আবিদ। তবে রয়্যালটির সঠিক অঙ্ক প্রকাশ করেননি তিনি।
নতুন জার্সি অনলাইসহ দেশের বিভিন্ন ফিজিক্যাল আউটলেটেও পাওয়া যাবে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ফিফা মিউজিয়ামের মতো আন্তর্জাতিক বাজারেও জার্সি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ডোরের।
বাজারে ব্যাপকভাবে আসার আগেই জার্সিটির চাহিদা তৈরি হয়েছে। করপোরেট ক্রেতাদের কাছ থেকে প্রায় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ জার্সির অর্ডার পাওয়া গেছে। রবি ও বাংলালিংকের মতো প্রতিষ্ঠানও অর্ডার দিয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫,০০০ জার্সি বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবিদ।
ডিসেম্বরের মধ্যে ১ লাখ জার্সি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দৌড়। সামনে ফিফা এশিয়ান কাপ ও সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থাকায় এবার চাহিদা আগের সংস্করণের তুলনায় বেশি হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে, নতুন জার্সির হোম ও অ্যাওয়ে কিট উন্মোচন করা হলেও তৃতীয় কিট এখনো অনুমোদন পায়নি। এর ডিজাইন জমা দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি রঙের বিকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের পর তৃতীয় কিট উন্মোচন হতে পারে।
জার্সিটি জুনেই উন্মোচনের জন্য প্রস্তুত ছিল বলে জানিয়েছেন আবিদ। তবে ভিআইপি অতিথিদের সময়সূচি এবং বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচনের ব্যস্ত সময় এড়িয়ে বাংলাদেশ জার্সির জন্য আলাদা সময় রাখার কারণে অনুষ্ঠান পিছিয়ে যায়।




