নিজস্ব প্রতিবেদক : সাইবার অপরাধ, অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়েছে।
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
আইআরআইয়ের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআইয়ের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার রুকসানা হক, তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া এবং মোহাম্মদ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আইআরআই প্রতিনিধিদল তাদের যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চাবিষয়ক কর্মসূচির কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান। তাঁরা বলেন, সাইবার বুলিং ও সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে বাংলাদেশের তরুণ ও রাজনৈতিক কর্মীরা হয়রানি এবং মানহানির শিকার হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তাঁরা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার নাগরিকের বাক্স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে সচেতন। সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন বা গালিগালাজ এক বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের জন্য গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
আইনটির লক্ষ্য হবে ডিজিটাল পরিসরে শালীনতা বজায় রাখা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা, যাতে আইনের অপব্যবহার না হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ এবং রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




