আলামীন রংপুর: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নীলফামারীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। রংপুর রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ও এতে সহযোগিতার অভিযোগে নীলফামারী সদর, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ ও ডিমলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত মো. মুসা আলী ওরফে মোস্তফা ফিরোজ, কামারপুকুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত মো. এমদাদুল হক, নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য হিসেবে পরিচিত সানোয়ার কবির ওরফে পাপু এবং নাসিম ইকবাল চৌধুরী ওরফে অভি।
এ ছাড়া সৈয়দপুরের ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত মো. শামীম আলী প্রিন্স, ৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত মো. সাদ্দাম হোসেন, নীলফামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত শাহাদাত হোসেন আপন, পুটিমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত মো. আবুল বাশার এবং গাড়াগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত মো. জিন্নুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্য গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ৪ নম্বর বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. জিয়াউর রহমান ওরফে জিয়া, ৫ নম্বর গয়াবাড়ী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. হাসমত খান হাসু, কামারপুকুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সৈয়দপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. বাদল মিয়া, পুটিমারী ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন রায়, পুটিমারী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. সিরাজুল ইসলাম এবং ৫ নম্বর গয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তথ্য ও যোগাযোগ শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত মো. শাহ আলম মিয়া।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রংপুর রেঞ্জ পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে কিউআরটির বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।




