ঢাকা  বুধবার, ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশঢাকাশিশু অধিকার দিবসে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী

শিশু অধিকার দিবসে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে প্রায় ১৫০ শিশু প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন ৬ থেকে ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মারক উপহার প্রদান এবং স্মরণিকা ‘শৈশব’-এর মোড়ক উন্মোচনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়ের আয়োজন রাখা হয়েছে।

আয়োজনে শিশুদের আঁকা ছবি ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। অনুষ্ঠান শেষে তিনি শিশু জাদুঘর ভবনে যাবেন। সেখানে ভবনের নিচতলায় স্থাপিত সোলার প্যানেল ব্যবস্থা ও সাব-স্টেশন উদ্বোধনের কর্মসূচিও রয়েছে।

এবারের আয়োজন একই সঙ্গে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির অর্ধশত বছরের পথচলাকেও স্মরণ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর আগে দেওয়া বাণীতে উল্লেখ করেছেন, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটির ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। শিশুদের কল্যাণ ও প্রতিভা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত শৈশব, মানসম্মত বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিশুশ্রম, সামাজিক সহিংসতা, বাল্যবিয়ে ও বৈষম্যের মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যে আগামী দিনের সম্ভাবনা নিহিত রয়েছে। সঠিক যত্ন, স্নেহ ও শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করার পরিবেশ তৈরি করা নৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করলেই তারা ভবিষ্যতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, খেলাধুলা, শিল্প ও সাহিত্যে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।-

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান তাই শুধু একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়; শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা, প্রতিভা বিকাশ এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণের অঙ্গীকার নতুন করে সামনে আনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular