নিজস্ব প্রতিবেদক: বিরোধীদের আন্দোলনকে ‘অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ব্যর্থ আয়োজন’ বলেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
আজ ৭ অক্টোবর, বুধবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় জুগলী ইউনিয়ন বিএনপির বিশেষ যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রশ্ন রাখেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নাশকতায় বিরোধীদল নিরব ছিল কেন? তিনি বলেন, সরকারের ভুল কাজের সমালোচনা করার অধিকার অবশ্যই বিরোধী দলের রয়েছে।
কিন্তু সাত মাস বয়সী সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলের আন্দোলন কর্মসূচিতে যে ভাষায় বিভ্রান্তি ও উস্কানিমূলক অপপ্রচার করা হচ্ছে, তাকে সুস্থ রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা যায় না বরং এসব অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আয়োজন। বিরোধীদের এই আয়োজন ব্যর্থ হয়ে বাধ্য।
তিনি আরও বলেন, গণ অভ্যুত্থানের পর জনগণ গতানুগতিক ধারার রাজনীতির পরিবর্তে গঠনমূলক রাজনীতি দেখতে চায়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা সৃষ্টির অপচেষ্টার মাধ্যমে নিজেদেরকে জঙ্গি হিসেবে পরিচিত করেছে।
ডিসেম্বরকে টার্গেট করে নিষিদ্ধ ও গুপ্তদের অপ তৎপরতা এবং আওয়ামী লীগের নাশকতার বিরুদ্ধে বিরোধী দলের নীরবতা জাতিকে নতুন বার্তা দিচ্ছে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় এদের গতিবিধি ও কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সতর্ক থেকে এবং পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এখন থেকেই নেতাকর্মীদের সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত হতে হবে। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন না হলেও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে একক প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ জোরদারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দলের প্রতিটি নেতাকর্মীর আচরণে দলের ভাবমূর্তি প্রতিফলিত হয়। তাই কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, ব্যক্তিস্বার্থ বা পরস্পরবিরোধী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক ঐক্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা যাবে না। তিনি বলেন, অপরাধীর কোনো দল নাই। দলীয় পরিচয়ে অপরাধ ও অনৈতিক কাজে জড়ালে তার কোনো ছাড় নাই।
/মাহমুদ/




