নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রুশ ডিজেল সরবরাহের প্রথম চালান নিয়ে একটি ট্যাঙ্কার রাশিয়ার প্রিমোর্স্ক বন্দর ছেড়ে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর চুক্তির পর এটিই প্রথম চালান।
এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মাল্টার পতাকাবাহী ‘আগিওই ফানেনদেস’ নামের ট্যাঙ্কারটি শুক্রবার রাশিয়ার বন্দর ছেড়েছে। জাহাজটির গন্তব্য নিউইয়র্ক। জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এনার্জি অ্যাসপেক্টস জানিয়েছে, ট্যাঙ্কারটিতে দুই লাখ ৯৮ হাজার ব্যারেল ডিজেল রয়েছে। আগামী ১০ নভেম্বর জাহাজটির নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ট্রাম্প সম্প্রতি মস্কোর ওপর থেকে কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছেন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, প্রথম ট্যাঙ্কারটি গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে এবং এ ধরনের চালান নিয়মিত অব্যাহত থাকতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন প্রায় ৩৮ লাখ ব্যারেল ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। ফলে ট্যাঙ্কারটির চালান দিয়ে দেশটির এক দিনের চাহিদাও পূরণ হবে না। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, এই চালান যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম কমাতে খুব সামান্যই ভূমিকা রাখবে।
আবুধাবিতে আলোচনার পরিকল্পনা: রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থগিত থাকা আলোচনা নভেম্বরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পেসকভ। চলতি সপ্তাহে সেন্ট পিটার্সবার্গে পুতিন ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের বৈঠকের পর এ উদ্যোগের কথা জানাল মস্কো।
স্টারলিংক ও সামরিক ব্যবস্থা স্টারশিল্ডের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, নেটওয়ার্কে এখনও সমস্যা রয়েছে। দ্রুতগতির ড্রোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে সামরিক অভিযান ব্যাহত হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।
ইলন মাস্ক এর আগে বলেছিলেন, সংযোগের গতি কমানোর পেছনে তাঁর কোনো হাত ছিল না। ট্রাম্পও বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, মাস্ক ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছেন। তবে ইউক্রেন জানিয়েছে, বিধিনিষেধ পুরোপুরি তুলে নেওয়ার বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয়।



