ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়রাজনৈতিক সমঝোতা কঠিন হলেও পরস্পর সমঝোতায় চাঁদাবাজি চলছে: অর্থ উপদেষ্টা

রাজনৈতিক সমঝোতা কঠিন হলেও পরস্পর সমঝোতায় চাঁদাবাজি চলছে: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:   অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজনৈতিক সমঝোতা করা খুব কঠিন কাজ হলেও চাঁদাবাজির সমঝোতা অনেক সহজ।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকার শুল্ক কমালেও বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমছে না। এর পেছনে একটি কারণ, সমঝোতার মাধ্যমে চাঁদাবাজি জারি রাখা।যেকোনো বাজারে গেলে দেখা যায়, চাঁদাবাজি তিন ভাগে ভাগ করা। কিছু (চাঁদাবাজ) আগের সরকারের, কিছু আগামী সরকারের চাঁদাবাজ, আর কিছু লোক স্থানীয়। তবে তাঁরা পরস্পর সমঝোতায় চাঁদাবাজি করেন।

রোববার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন অর্থ উপদেষ্টা। অনুষ্ঠানে সম্মেলন বক্তা ছিলেন গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

তিনি বলেন, আমি নিজে কারওয়ান বাজারে গিয়েছি। সেখানে দেখেছি, চাঁদাবাজি তিন ভাগে ভাগ করা; সবার ভেতর সমঝোতা আছে। অথচ আমাকে বলা হচ্ছে, সিন্ডিকেট ভাঙো।

পণ্যের উৎপাদন খরচ ও ভোক্তার ব্যয়ের মধ্যে দাম কমানো সরকারের মূল উদ্বেগের বিষয় উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝখানের বাড়তি দামটা অকারণে হয়। সরবরাহ শৃঙ্খলের মধ্যে কিছু ব্যক্তি অবশ্যই থাকবেন, যাঁরা পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা করেন। কিন্তু বাজারে ট্রাকটা এলে তা ছুঁয়ে দিয়েই যাঁরা বলেন, আমাকে ৫০০ টাকা দাও, তাঁরা মধ্যবর্তী লোক নন, তাঁরা চাঁদাবাজ। এভাবে পাঁচ লাখ টাকার পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক বাজারে এলে তা একস্থানে দাঁড়িয়েই সাত লাখ টাকা হয়ে যায়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশে দুর্নীতির কথা তুলে ধরে অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা আরও বলেন, চুরি অনেক দেশেই হয়েছে। তবে বাংলাদেশে এটা এত ব্যাপক যে আপনারা চিন্তাও করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা আছে। প্রতিষ্ঠানগুলো সব ধ্বংস করা হয়েছে। নীতিনির্ধারক, আমলা, ব্যবসায়ী সবাই মিলে নিয়ম ভেঙেছেন।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular