নিউজ ডেস্ক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর সমুদ্রে গবেষণা ও সমস্যা চিহ্নিত করার গুরুত্ব জোর দিয়ে বলেছেন।
মঙ্গলবার যমুনা অতিথি ভবনে গবেষণা জাহাজ আরভি ডক্টর ফ্রিডজফ ন্যানসেন কর্তৃক পরিচালিত জরিপ-প্রতিবেদন হস্তান্তরকালে তিনি এ কথা বলেন। উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, প্রফেসর সায়েদুর রহমান চৌধুরী ও ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
২১ আগস্ট থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা জরিপে আট দেশের ২৫ জন বিজ্ঞানী অংশ নেন; এর মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশী। প্রতিবেদনে নতুন ৬৫ প্রজাতির জলজ প্রাণী শামিল হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে—গভীর জলে জেলি ফিশের আধিক্য বিপজ্জনক হারে বাড়ছে, ২০০০ মিটার গভীরে প্লাস্টিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক এবং ২০১৮ সালের তুলনায় বড় মাছের সংখ্যা কমেছে। এছাড়া ডিপ-সি টুনা ও সুন্দরবনের নিচে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিশিং নার্সারি শনাক্ত হয়েছে।
গভীর সমুদ্রে কার্যকর ও লক্ষ্যভিত্তিক জেলাধরা নিশ্চিত করতে বর্তমানে প্রায় ২৭০–২৮০টি বড় ট্রলার কাজ করছে; এর মধ্যে ৭০টি সোনার ব্যবহার করে টার্গেটেড ফিশিং করছে—যা সমুদ্রজ জীববৈচিত্র্য এবং খাঁটি উপকূলীয় জেলেদের জন্য ক্ষতিকর।
মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলছেন—সোনার (Sonar) ফিশিং নিয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস গবেষণার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত নীতি ও সংরক্ষণমূলক কর্মসূচি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




