নিউজ ডেস্ক: আদানির সঙ্গে করা বিদ্যুৎচুক্তিতে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকার তা বাতিল করতে দ্বিধা করবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
রবিবার সচিবালয়ে গঠিত জাতীয় কমিটির এক সভা শেষে তিনি বলেন, চুক্তিতে “দুর্নীতি নেই” এমন শর্ত থাকলেও প্রমাণ উন্মোচিত হলে আইনসভার বিধি-প্রক্রিয়া মেনে চুক্তি বাতিল করা যেতে পারে—মুখে বলা মন্তব্য পর্যাপ্ত নয়, যথাযথ প্রমাণ থাকতে হবে।
কমিটির সদস্য প্রফেসর মোশতাক হোসেন খান সতর্ক করেছেন যে, এসব চুক্তি সার্বভৌম হওয়ায় সহজে বাতিল করা যাবে না; আন্তর্জাতিক আরবিট্রেশনে গেলে বড় অঙ্কের জরিমানা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন সভায় উল্লেখ করেছেন, ২০১১ থেকে ২০২৪ সালে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন চারগুণ বেড়ালেও অর্থপ্রদানের পরিমাণ একগুণের বেশিই বেড়ে ৬৩৮ মিলিয়ন ডলার থেকে ৭.৮ বিলিয়ন ডলারে ওঠেছে—এটা প্রযুক্তিগত কারণে নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ড. শাহদীন মালিক বলেছেন, আইনি কারণে বাতিল সম্ভব হলে ওষুধ সময় হলে আন্তর্জাতিক আদালতে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের দাবি উঠতে পারে।
বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন—চুক্তি পর্যালোচনায় স্বচ্ছতা, প্রমাণভিত্তিক তদন্ত ও ঝুঁকি বিবেচনা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে; প্রমাণিত অনিয়ম পেলে সরকার আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেবে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



