ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeরাজনীতিউত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর, তদন্তে পুলিশ

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর, তদন্তে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে একদল লোক মিছিল নিয়ে তাঁর বাসার সামনে গিয়ে স্লোগান দেওয়ার পর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বাড়ির জানালার কাচসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হামলাকারীরা বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

ঘটনার সময় জি এম কাদের বাসায় ছিলেন। হামলায় কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও এর আগেই হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যায়। হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্তে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জি এম কাদেরের উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরের বাসায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। তাঁর প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্যের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে হামলা শুরু হয়। তিনি দাবি করেন, বাসার সামনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন জড়ো হয়েছিলেন।

তবে পুলিশ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ও ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর জানিয়েছেন, ‘সাধারণ জনতা’র ব্যানারে ৩০ থেকে ৪০ জন বাসাটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। তারা বাইরে থেকে ইটপাটকেল ছুড়লেও ভেতরে ঢুকতে পারেননি।

জি এম কাদের জানিয়েছেন, হামলার সময় তিনি নাশতা করছিলেন। হঠাৎ বাসার চারদিক থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে জানালার কাচ ভেঙে ড্রয়িংরুমে ছড়িয়ে পড়ে। গেটে তালা থাকায় হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।

প্রকাশিত ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা জি এম কাদেরকে ‘ভারতের দালাল’ আখ্যা দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তাদের বহন করা ব্যানারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ তুলে জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে বক্তব্য ছিল। তবে এসব অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের নিজস্ব দাবি।

ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার রেজাউল করিম জানিয়েছেন, হামলার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ততক্ষণে হামলাকারীরা চলে গিয়েছিলেন। তাদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ খালিদ মনসুরও জানিয়েছেন, বাসা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের বিষয়টি পুলিশ পেয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।-

হামলার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জাতীয় পার্টি জানিয়েছে, এ ঘটনায় দলের পরবর্তী করণীয় পরে জানানো হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular