নিউজ ডেস্ক: হংকংভিত্তিক এশিয়া বিজনেস ল’ জার্নাল বাংলাদেশের ৫৬ জন শীর্ষ আইনজীবীর তালিকা প্রকাশ করেছে। স্বাধীন গবেষণা, আইনজীবী ও আইন প্রতিষ্ঠানগুলোর মতামত এবং ক্লায়েন্টদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা এই তালিকায় দেশের সুপরিচিত আইনজীবীদের পাশাপাশি করপোরেট, বাণিজ্যিক ও সাংবিধানিক আইনচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা অনেক আইনজীবীর নাম স্থান পেয়েছে।
২১ জুলাই প্রকাশিত এই তালিকাটি দেশি-বিদেশি আইন প্রতিষ্ঠানের পার্টনার এবং ক্লায়েন্টদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
মূল্যায়নের ভিত্তি ছিল স্বাধীন গবেষণা, ক্লায়েন্টদের মূল্যায়ন ও পেশাগত দক্ষতা।
আইনজীবীদের জটিল ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক বিষয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান দেওয়ার সক্ষমতাকে প্রধান গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ৫৬জন আইনজীবী এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে যাঁরা আইকন বলে বিবেচিত হয়েছেন তাঁরা হলেন: ড. কামাল হোসেন, আখতার ইমাম, আজমল হুসাইন, শামসুদদৌলা, মো: ইমতিয়াজ ফারুক, আখতার ইমাম, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।
এ ছাড়া তালিকায় স্থান পাওয়া অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, ব্যারিস্টার জুনায়েদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার আনিতা রহমান, ড. শরীফ ভুঁইয়া, ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ, ব্যারিস্টার আশরাফুল হাদী, ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম, ব্যারিস্টার আসিফ বিন আনওয়ার, ব্যারিস্টার সামির সাত্তার, ব্যারিস্টার আনাম হোসাইন, ব্যারিস্টার তানজীবুল আলম, ব্যারিস্টার ওমর এইচ খান, ব্যারিস্টার ইউসুফ আলী, ব্যারিস্টার মারগুব কবির, ব্যারিস্টার সোহান খান, ব্যারিস্টার খান খালিদ আদনান, ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির, ব্যারিস্টার সাজেদ সামী আহমেদ, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আসিফ, ব্যারিস্টার এ এস এ বারী, এন এম ইফতেখারুল আলম ভুঁইয়া, মামুন চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাসির-উদ দৌলা, ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ ফারুক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, এম আর আলভী হাকিম, ব্যারিস্টার মাসুদ খান, মাইদুল হক খান, ওয়াহিদ সাদিক খান, ব্যারিস্টার রাকিব খোন্দকার, আমিনা খাতুন, সাহওয়ার নিজাম, ব্যারিস্টার শাওন এস নোবেল, ব্যারিস্টার আলামিন রহমান, ফেরদৌস রহমান, মোহাম্মদ ফারুক রহমান, ব্যারিস্টার এ এস এম সাকিব শিকদার এবং এম আর উদ্দিন।
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কয়েকজন আইনজীবী জানান, এটি কোনো সরকারি স্বীকৃতি বা পরীক্ষাভিত্তিক মূল্যায়ন নয়। বরং স্বাধীন গবেষণা, বিভিন্ন আইন প্রতিষ্ঠান, সহকর্মী আইনজীবী এবং সেবা গ্রহণকারী ক্লায়েন্টদের মতামত বিশ্লেষণ করে এই র্যাঙ্কিং তৈরি করা হয়েছে। ফলে এটি আইন পেশায় পেশাগত সুনাম, দক্ষতা এবং কাজের স্বীকৃতির একটি আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন হিসেবে বিবেচিত হয়।




