ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিককলকাতার স্কুলে ইসকনের খাবার নিয়ে যা বললেন শুভেন্দু

কলকাতার স্কুলে ইসকনের খাবার নিয়ে যা বললেন শুভেন্দু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেওয়ার দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হলেও ছাত্র-ছাত্রীদের খাবারে ডিমও দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পহেলা আগস্ট থেকে কলকাতার সরকারি স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার পরিবেশন করবে ইসকন। সারা দেশে দুপুরের খাবার পরিবেশনের এই ব্যবস্থার নাম ‘মিড-ডে মিল’।

ইসকন সম্পূর্ণভাবে নিরামিষাশী, তাই স্কুলের খাবার বিতরণের দায়িত্ব তাদের দেওয়ার পরে ছাত্রছাত্রীদের ডিম দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

বিরোধী দলগুলো এবং অভিভাবকদের অনেকেই অভিযোগ তুলেছিলেন যে ছাত্রছাত্রীদের প্রাণীজ প্রোটিন থেকে বঞ্চিত করা হবে এবং তাদের নিরামিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হবে।

দুপুরের খাবার বিতরণের দায়িত্বে ইসকনকে রাখলেও শুভেন্দু অধিকারী বুধবার ঘোষণা করেছেন যে পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেছেন, এসএইচজিকে (সেল্ফ হেল্প গ্রুপ বা স্বনির্ভর গোষ্ঠী) দিয়ে আমরা সপ্তাহে একদিন বা দু’দিন সেদ্ধ ডিম বাচ্চাদেরকে আলাদা করে বিতরণ করব। ইসকন তাদের খাবারে সাত্ত্বিকতা বজায় রেখে খাবার সরবরাহ করবে। এটা ওড়িশাতে আছে। ইসকন ভারতের বহু রাজ্যে মিড ডে মিলের খাবার সরবরাহ করে, আমরা সেটা গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, এর পাশাপাশি, ওড়িশার স্কুলে যেভাবে আলাদা করে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে ডিম দেওয়া হয়, পশ্চিমবঙ্গও একই ব্যবস্থা নেবে।

ভারতের স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু করার পিছনে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য ছিল, তেমনই পড়ুয়াদের পুষ্টির দিকে নজর রাখার বিষয়টিও ছিল।

আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের শিশুই মিড ডে মিলের খাবারের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। ইসকনের তরফে দুধ, রাজমা ইত্যাদি পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে থাকার কথা বলা হলেও তা পশ্চিমবঙ্গের মূলত: আমিষভোজী পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের কতটা পছন্দ হবে, তা নিয়ে আলোচনা বন্ধ হয়নি।

তারই মাঝে বুধবার এই ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী।

পাশাপাশি, তিনি বলেছেন, মিড ডে মিল নিয়ে যে বৈষম্য ছিল, তা আমরা দূর করেছি। আগে হাইস্কুলে মাথাপিছু মিড ডে মিলে বরাদ্দ ছিল ১০ টাকা আর, প্রাথমিকে ছিল ৬টা ৭৮ পয়সা। আমরা প্রাইমারিতেও ১০ টাকা করে বরাদ্দ করেছি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular