ঢাকা  শনিবার, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeলিডকুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার

কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক : নিখোঁজ হওয়া কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ পাওয়া গেছে। মায়ের আইনফোন নিয়ে বের হয়ে শুক্রবার কোটবাড়ী এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় ইশিয়াত।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারের সময় তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তারা পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট, গায়ের রং শ্যামলা। নিখোঁজের সময় তার পরনে পাঞ্জাবি ছিল।

এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ী এলাকার বাসা থেকে হেঁটে বের হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি।

পরবর্তীতে অপ্রতীমের মা ড. নাহিদা বেগম নিখোঁজ ছেলের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকের এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার ছেলেকে আমি বিকেল ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতীম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের এই পাঞ্জাবিটা (নীল রঙের) ছিল গায়ে। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি।’

‘আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নাই। ফেসবুক আইডি যে ফোনে সেটা বাসায় রেখে গেছে।’

এ ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কুমিল্লার কোটবাড়ির গন্ধমতি এলাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ওসি মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে অপ্রতিম অটোরিকশায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসে। সেখানে একটি ছেলের সঙ্গে হাত মেলায় এবং প্রায় এক ঘণ্টা তার সঙ্গে কথা বলে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ওই ছেলেকে দেখা গেলেও পরিবার বা স্থানীয়দের কাছ থেকে তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।’

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular