চট্টগ্রাম বন্দর প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বন্দরের অখালাসকৃত, নিম্নমানের, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী পণ্য ধ্বংস এবং ই-নিলামের মাধ্যমে খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ৫৬৮ কনটেইনার পণ্য খালি করা হবে, যার মধ্যে ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে এবং ৪৪২ কনটেইনার পণ্য ই-নিলামে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখা সূত্রে জানা গেছে, ধ্বংস করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে নিম্নমানের খেজুর, মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ, ফিড গ্রেড লাইমস্টোন, বেনটোনাইট পাউডার, পচা কমলা, নষ্ট পেঁয়াজ, কেশোনাট ও বিভিন্ন ধরনের নষ্ট খাদ্যপণ্য।
এছাড়া, ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রির জন্য ৪৪২ কনটেইনার পণ্যের মধ্যে রাসায়নিক, যন্ত্রপাতি, কাপড়, প্লাস্টিক বর্জ্য, টাইলস, লবণ, কাগজ ও গৃহস্থালি সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এনবিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিলামের প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। ই-অকশনের পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর এবং বিশেষ ই-অকশনের পণ্য ৩০ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরাসরি দেখে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এই উদ্যোগের ফলে বন্দরের পণ্য ব্যবস্থাপনার কাজ দ্রুত হবে এবং রাষ্ট্রের সম্পদের অপচয় কমবে। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ বলেন, বন্দরের কাজের গতি বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্যও উপকারী।
এখন সময় এসেছে বন্দরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার এবং অখালাসকৃত পণ্যগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি করার।
/রাশিদুল রাশেদ/




