নিউজ ডেস্ক : ঈদুল আজহার কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার বাজারে এবারও ধস নেমেছে। সরকারি নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক কম দামে চামড়া বিক্রি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় চামড়ার বেচাকেনা জমে উঠলেও দামে অস্থিরতা স্পষ্ট। সাভার ও আশপাশের এলাকা থেকে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে চামড়া কিনে এনে অনেকেই এখন ৫০০ টাকায়ও বিক্রি করতে পারছেন না। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্য দাম মিলছে না।
আমিন, সোবহান ও মিজানুর রহমানের মতো ব্যবসায়ীরা জানান, লোকসান গুনেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। বিকেল গড়ালে দাম আরও পড়ে যাচ্ছে, কোথাও কোথাও একেকটি চামড়া সাড়ে ৩০০ টাকায় বিক্রিও হয়েছে। তবে জাকির হোসেন জয় সামান্য লাভে কিছু চামড়া বিক্রি করতে পেরেছেন।-
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, দ্রুত বিক্রি না করলে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে চামড়ার মান নষ্ট হয়, ফলে দাম কমে যায়। তিনি জানান, লবণযুক্ত চামড়া সরকার নির্ধারিত দামে কেনার পরিকল্পনা আছে। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা বর্গফুট, ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। খাসির চামড়ার দাম বর্গফুটে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়া ২২ থেকে ২৫ টাকা ঠিক করা হয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, সরবরাহ বাড়লেও ট্যানারি পর্যায়ে প্রত্যাশিত চাহিদা না থাকায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।




