নওগাঁ প্রতিবেদক: নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে তাঁর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার জেরে মঙ্গলবার দুপুরে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতার নাম শফিউল হাসান। তিনি উপজেলার ইসমাইলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পাশের জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা জামায়াতের আমির। এ ছাড়া তিনি উপজেলার একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কোলা ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনুর ইসলাম বলেন, আগেও অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী–সংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষকতা ছাড়াও শফিউল কোলা ইউনিয়নের কাজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ দেওয়াসহ নানা অভিযোগ আছে। কাজি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
জয়পুরহাট জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এস এম রাশেদুল আলম তাঁর দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। শফিউল আলম অপরাধ করলে তাঁর বিচার আইন-আদালতে হওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন শফিউল আলমের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। সেই টাকা না দেওয়ায় স্থানীয় লোকজনকে উসকে দিয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, লুটপাট ও আগুন দেওয়া হয়েছে।




