ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলাটেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানকে দাপটের সঙ্গে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররা

টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানকে দাপটের সঙ্গে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররা

ক্রীড়া ডেস্ক: অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অবিস্মরণীয় জয় এন দিল টাইগাররা। বাংলাদেশের টেস্ট জয় দুুরুহ ব্যাপার হলেও মিরপুরে পঞ্চম ও শেষ দিনে পাকিস্তানকে দাপটের সঙ্গে গুঁড়িয়ে দিল টাইগাররা শুধু একটি জয় নয়, রচনা করলো দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে লেখা হয়ে থাকবার মতো এক মহাকাব্য।

আজ (১২ মে) শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে ১০৪ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের শেষ দিনে ২৬৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের তৃতীয় টেস্ট জয়।

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টেস্ট দ্বৈরথের শুরু ২০০১ সালে। মুখোমুখি লড়াইয়ে প্রথম জয়ের দেখা পেতে টাইগারদের অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ ২৩ বছর। ২০২৪ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের খাতা খুলেছিল বাংলাদেশ। একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে ধবলধোলাই করেছিল প্রতিপক্ষকে।

সেই সাক্ষাতের পরের দেখাতেও বাংলাদেশ অব্যাহত রাখল জয়ের ধারা। বলাই যায়, টাইগারদের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেনি পাকিস্তান। মধাহ্নভোজের আগ মুহূর্তে ২৬৮ টার্গেট তাড়া করতে নামে তারা। বিরতির আগেই হারায় এক উইকেট। চতুর্থ ও শেষ ইনিংসের প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। টাইগার পেসার ইমাম উল হককে (২) লিটন দাসের ক্যাচ বানান।

বিরতির পর প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো আজানকে থামান মেহেদি হাসান মিরাজ। টাইগার স্পিনারের স্পিনে পাকিস্তানি ওপেনার থামেন ব্যক্তিগত ১৫ রানে। অধিনায়ক শান মাসুদ বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ফজলকে। নাহিদ রানা গতি আর সুইংয়ে পরাস্ত হয়ে ক্যাচ দেন কিপার লিটনকে। মাত্র ২ রানই আসে মাসুদের ব্যাট থেকে।

৬৮ রানে তিন উইকেট হারানো পাকিস্তানকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছিলেন সালমান আলী আঘা এবং ফজল। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১১৬ রান নিয়ে চা পানের বিরতিতে যায় পাকিস্তান। বিরতির পরই এলোমেলো হয়ে যায় সফরকারীরা। সালমান-ফজলের ৫১ রানে জুটি ভাঙেন তাইজুল। ৩২ তম ওভারে হাফ সেঞ্চুরিয়ান ফজলকে (৬৬) এলবির ফাঁদে ফেলেন টাইগার স্পিনার।

পরের ওভারে সালমানকে (২৬) সাজঘরের পথ দেখান তাসকিন। সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন সৌদ শাকিল এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান। তাদের আউট করে বাংলাদেশের জয়ের পথ আরও মসৃণ করেন নাহিদ রানা। দুজনেই মাঠ ছাড়েন ১৫ রান করে। পাকিস্তানের অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে তাইজুলের স্পিনে। তিনি এলবি করেন হাসান আলীকে (১)।

নাহিদের চতুর্থ শিকার হন নোমান আলী (৪)। এরপর শাহিন শাহ আফ্রিদিকে (০) আউট করে দলের জয় নিশ্চিত করেন টাইগার পেসার। একইসঙ্গে পূর্ণ করেন ফাইফার। টেস্টে এটা তার দ্বিতীয় ফাইফার।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular