ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedতারেক রহমান তৃণমূল রাজনীতির মূল কারিগর: মঈন খান

তারেক রহমান তৃণমূল রাজনীতির মূল কারিগর: মঈন খান

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়াম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মঈন খান বলেন, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সারা বাংলাদেশের হাটে-মাঠে গিয়ে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করেছেন তিনি। যার ফলশ্রুতিতে আজকের এই বিএনপি রূপান্তরিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যেগে আয়োজিত ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আজকের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বলেন, তিনি তিনটি গুণের ধারক ও বাহক ছিলেন, শৃঙ্খলা, সততা ও জনগনের সেবা। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যদি সাহস করে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন তবে এই বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কি না তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। সেই জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদের ধারক-বাহক হিসেবে আমরা মানুষের সেবা করে যাব।

বইয়ের ইতিহাস সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বইয়ের ইতিহাস খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সালে। যখন সর্বপ্রথম পাথর ও কাদার উপর লেখার সৃষ্টি হয়েছে। সেটিই ছিল বইয়ের সৃষ্টির ইতিহাস। সেখান থেকে বই আসলো বই আসলো দ্বিতীয় পর্যায়ে। সেটি হলো খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে। এরপর, মিশর, চীন ও রোম বিশ্বের এই তিনটি স্থানে বইয়ের রূপান্তর হয়েছে। তখন বইয়ের যে রূপ ছিল সেটাকে বলা হয় স্ক্রল। তৃতীয় পর্যায়ের যে বই আমরা দেখি সেটাকে বলা হয় কোডেক্স।

তিনি বলেন, আজকের দিনের এই বইয়ের ধারণা রোম থেকে সৃষ্টি হয়েছে। বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর হয়েছে জার্মানিতে। যখন জার্মানিতে ছাপাখানার সৃষ্টি হয়েছে ১৪৪০ সালে। এটি প্রাচীন বইয়ের ইতিহাস। এরপর আসলো ই-বুক এর ধারণা।

তিনি আরও বলেন, যারা নেতৃত্ব দেবেন তাদেরকে নতুন প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। নতুন প্রযুক্তির কারণে অনেক বুকশপ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, লাইব্রেরি হলো জ্ঞানের সম্ভার। সেই কারণে মঙ্গলরা যখন কোন অঞ্চল জয় করতো তারা সেখানকার সভ্যতা ধ্বংস করার জন্য লাইব্রেরি পুড়িয়ে দিত। মানব সমাজে বইয়ের গুরুত্ব এই ইতিহাস থেকে অনুধাবন করা যাবে।

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, পড়ার চর্চা হারিয়ে ফেলা যাবে না। লেখাপড়া ব্যতীত কোনো জাতি গৌরব অর্জন করতে পারে না। এই সত্য প্রতিটি মানুষকে বুঝতে হবে।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী প্রমুখ।

সূত্র: বাসস

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular