নিউজ ডেস্ক: কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বুধবার নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ইউএনও কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া লালপুরে বিক্ষোভ হয়েছে এবং ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
দুই উপজেলায় নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি উঠেছে। অভিযোগ করা হয়, নিয়োগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বলেছে, নিয়োগে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। তবে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিক্ষোভের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হন সাংবাদিকরা।
বাগাতিপাড়া উপজেলায় কর্মচারী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। যারা উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তারা ফল বাতিলের দাবিতে বুধবার ইউএনও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি মিছিল ইউএনওর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা ইউএনওর কক্ষের দরজা ও জানালায় লাথি দেন এবং ফুলের টব ভেঙে ফেলেন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বাগাতিপাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দেবাশীষ বসাক ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের সুযোগ করে দিয়েছেন।
তবে ইউএনও বরকত উল্লাহ বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছে, অনিয়ম হয়েছে। এ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাটোর জেলার পুলিশ সুপার শরীফুল হক জানান, উপজেলা গুলোতে হামলার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ইউএনও কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। একই অভিযোগে সুন্দরগঞ্জে ইউএনও কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।



