ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশনান্দাইলে ব্রিজের নিচে বস্তা ভর্তি ঘোড়ার চামড়া ও কাটা মাথা উদ্ধার...

নান্দাইলে ব্রিজের নিচে বস্তা ভর্তি ঘোড়ার চামড়া ও কাটা মাথা উদ্ধার ॥ আতঙ্কে ক্রেতারা

জালাল উদ্দীন মন্ডল নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চর বেতাগৈর ইউনিয়নের চর লক্ষিদিয়া ব্রিজের নিচ থেকে বস্তা ভর্তি ঘোড়ার চামড়া ও মাথা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ব্রিজের নিচে এসব বর্জ্য দেখতে পান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার পাশে ব্রিজের নিচে রাখা তিনটি বড় বস্তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা ও পথচারীরা কাছে গিয়ে বস্তাগুলো খুলে দেখেন। এ সময় বস্তার ভেতরে জবাই করা ঘোড়ার চামড়া এবং ৩টি ঘোড়ার মাথা দেখতে পেয়ে তারা হতবাক হয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের শত শত মানুষ সেখানে ভিড় জমান। এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে মাংস কেনা নিয়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল ও রাজু মিয়াসহ আরও অনেকে অভিযোগ করে বলেন, কোনো অসাধু মাংস ব্যবসায়ী চক্র রাতের আঁধারে ঘোড়া জবাই করে এর মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করেছে। লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার জন্য তারা চামড়া ও মাথাগুলো বস্তাবন্দি করে ব্রিজের নিচে ফেলে গেছে। তাদের অভিযোগ, বর্তমানে বাজারে মাংসের উচ্চমূল্যের সুযোগ নিয়ে একটি প্রতারক চক্র জনস্বাস্থ্যের তোয়াক্কা না করে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বাজারগুলোতে মাংসের মান যাচাই এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
চর বেতাগৈর ইউনিয়নের দফাদার পলাশ মিয়া বলেন, “আমাদের এলাকায় ইতিপূর্বে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা কখনো ঘটেনি। আশপাশে মধুপুর ও বালিপাড়ার মতো বড় বাজার রয়েছে। কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা এখনো জানা যায়নি।”
নান্দাইল উপজেলা ভোক্তা অধিকার পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, “বিষয়টি আমি মাত্র শুনেছি। যদিও এটি মূলত প্রাণিসম্পদ দপ্তরের দেখার বিষয়, তবুও আমরা খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কেএম আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, “বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। সুনির্দিষ্ট কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন। তবে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর যদি বাজারগুলোতে নিয়মিত তদারকি করেন, তাহলে এ ধরনের কারচুপি রোধ করা সম্ভব।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular