রাজশাহী প্রতিবেদক: বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার পর উদ্ধারকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল জোনের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ঢাকা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই দুর্ঘটনার ফলে রংপুর-রাজশাহী এবং রংপুর-দিনাজপুর রুটে আপাতত ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন স্টেশনে বিকেল ও রাতের তিনটি ট্রেন বর্তমানে আটকা পড়ে আছে। উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পরপরই লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেলওয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, উদ্ধারকাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই দুর্ঘটনাস্থলে আছি। আশা করছি আগামী আধ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব হবে।’
দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দুটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। রেলওয়ের মহাপরিচালকের নির্দেশে গঠিত চার সদস্যের এই কমিটিতে রয়েছেন চারজন প্রধান কর্মকর্তা। তারা হলেন, চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার (সিএমই), চিফ ইঞ্জিনিয়ার, চিফ অপারেটিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট (সিওপিএস) ও আরও একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) পর্যায়ের এই কমিটিতেও চারজন সদস্য ডিএমই (লোকো), ডিএমই (ক্যারিজ), ডিএন (ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার), ডিটিওকে (ডিভিশনাল ট্রাফিক অফিসার)কে রাখা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিগুলোকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লাইন সচল হলে আটকা পড়া ট্রেনগুলো আগে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।




