আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ল নেপাল। দেশটির গোরখা জেলার বুড়ি গণ্ডকী নদীর পানি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। এতে ৩৫টির বেশি ঘরবাড়ি ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।
স্থানীয় সময় রবিবার (১১ অক্টোবর) ঘটা এই আকস্মিক দুর্যোগের পর এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর না মিললেও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যায় সল্লেরি, পাইয়ুকা এবং জগৎ এলাকার বাড়িঘর নদীগর্ভে ভেসে গেছে, এ তথ্য জানিয়েছেন চুমুব্রি গ্রামীণ পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান রামকুমার গুরুং।
তিনি আরও বলেছেন, ‘ভোরে হঠাৎই বন্যা চলে আসে। আমরা আমাদের জিনিসপত্র ঘর থেকে বের করতে পারিনি। পানির শব্দ শুনেই আমারা সব ছেড়েছুড়ে পালিয়ে যাই।’
চলতি বছরের ২৬ আগস্ট সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বন্যায় বিপুল প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল হিমালয় অঞ্চলের দেশটিতে। নতুন করে চুমনুব্রি গ্রামের এ বন্যার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
গোর্খার মুখ্য জেলা কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্রকুমার মিশ্র বলেছেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি সিউরিবাসের ওপরে ভূমিধস নামে। তবে গণ্ডকী নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।’ তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে এই বন্যা হয়নি। তবে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বিস্তারিত কারিগরি বিশ্লেষণ চলছে।




