ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeনারী ও শিশুবরিশালে অপহরণের ৬ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

বরিশালে অপহরণের ৬ মাস পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

নিউজ ডেস্ক: বরিশালের মুলাদীতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের ছয় মাস পর দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১১)। গত সোমবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অপহৃত কিশোরীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের মো. আসলাম ভূঁইয়া (৩০) ও মো. সজিব (২০)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে তাকে অপহরণ করা হয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ও ফুসলিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে আসলাম ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। এ নিয়ে পরিবার থেকে নিষেধ করা হলেও তিনি তা মানেননি। অপহরণের দিন আসলাম আগে থেকে ওত পেতে ছিলেন এবং সহযোগীদের সহায়তায় কিশোরীকে অপহরণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই কিশোরী স্কুল থেকে বাড়ি না ফেরায় স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে আসামিদের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ করলে তাদের গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। থানায় অভিযোগ বা মামলা করলে কিশোরীকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তার স্বজনেরা।

কিশোরীর বাবা অভিযোগ করেন, মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে গত ২৪ এপ্রিল তিনি মুলাদী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২ মে সকালে মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করে তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

গত ২৯ জুন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম মামলাটি আমলে নিয়ে নিয়মিত মামলা নথিভুক্ত করতে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। পরে ১ জুলাই মুলাদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এতে পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, এসআরবির সহায়তায় অপহরণ মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার ও স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীর বক্তব্য গ্রহণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসাসংক্রান্ত কার্যক্রম আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করা হবে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চল ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular