ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeব্যবসা/বাণিজ্যবিমান টিকেট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: সংসদে বিমানমন্ত্রী

বিমান টিকেট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: সংসদে বিমানমন্ত্রী

দেশে বিমান টিকেটের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে দেশের প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট চিহ্নিত করে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তারের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এ সময় অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।

মন্ত্রী জানান, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে এবং দেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের সম্ভাবনা, অবকাঠামো ও উন্নয়ন চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

পর্যটন খাতের সঠিক তথ্য ও অর্থনৈতিক অবদান নিরূপণের লক্ষ্যে ‘ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট’ প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিকল্পিত ও তথ্যনির্ভর পর্যটন উন্নয়নের জন্য এ ধরনের তথ্যভিত্তিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্থানীয় জনগণকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে ‘কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম’ মডেলেও বিভিন্ন পর্যটন স্পট উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোর টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের জনবল বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদে জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে।

এ লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এ বিষয়ে ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ বা এসওপি প্রণয়ন এবং কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে।

বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমও নেওয়া হয়েছে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে বিউটিফুলবাংলাদেশ ডট গভ ডট বিডি নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরির কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও টেকসইভাবে গড়ে তোলা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular