ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েল

ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধে ৩০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেটের কার্যক্রম বন্ধের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে গাজা ও পশ্চিম তীরে কাজ করা ব্রিটিশ প্রতিনিধিদেরও দ্রুত ওই অঞ্চল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জেরুজালেম, অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজায় যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী ব্রিটিশ কনস্যুলেটকে ৩০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ ইসরায়েলে গাজার জন্য পরিচালিত আন্তর্জাতিক সমন্বয় কেন্দ্রে থাকা ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের এক সপ্তাহের মধ্যে চলে যেতে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

রামাল্লায় ফিলিস্তিনি পুলিশের সঙ্গে কাজ করা ব্রিটিশ প্রশিক্ষকদেরও এক সপ্তাহের মধ্যে পশ্চিম তীর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটেন পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অবৈধ বসতির সঙ্গে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার পর ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো অবৈধ হিসেবে বিবেচিত।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেন, ব্রিটেন তার মূল্যবোধের ভিত্তিতে যেটিকে সঠিক মনে করে, সেটিই করেছে।

ইহুদি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘জিউইশ নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিলিব্যান্ড বলেন, ‘আমাদের মূল্যবোধের ভিত্তিতে সঠিক কাজটি করতেই হয়েছে।’

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামও ব্রিটেনের অবস্থানের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করেছি, ইসরায়েলবিরোধী হিসেবে অভিযুক্ত হওয়ার আশঙ্কায়।’

ইসরায়েলের এই পদক্ষেপকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ব্রিটেনের সঙ্গে একইভাবে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ফ্রান্স ও কানাডার বিরুদ্ধে ইসরায়েল এখনো কী ধরনের ব্যবস্থা নেবে, তা ঘোষণা করেনি।

ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডার সমন্বিত পদক্ষেপের পর ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। একই সঙ্গে ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular