ঢাকা  মঙ্গলবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধমতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব দুদকের

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব দুদকের

ভুয়া ও জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ জন শিক্ষককে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তলব করেছে। আগামী ১ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষ কার্যালয়ে এসব শিক্ষককে উপস্থিত থাকতে এক চিঠিতে অনুরোধ করেছে দুদক। এ সময় তাদের বিএড সনদের মূল সার্টিফিকেট ও ১ সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দুদকের চিঠির একটি কপি ইত্তেফাকের কাছে এসেছে। একই সঙ্গে ২৩ শিক্ষকের তালিকাও পাওয়া গেছে। অভিযোগ ছিল এই প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষক ভুয়া সনদে চাকরি করছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বেশকিছু নথি পাওয়া সাপেক্ষে সম্প্রতি দুদক অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা-চাকরি করার অভিযোগ রয়েছে। এটি সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে শিক্ষকগণের নামের তালিকাসহ ইস্যুকৃত নোটিশ প্রেরণ করা হলো।

এই নোটিশে বর্ণিত তারিখ ও সময়ে তাদেরকে অধ্যক্ষ কার্যালয়ে (বিএড সনদের মূলকপি ও ১ সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ) উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে অনুরোধ করা হলো। কোনো শিক্ষক জরুরি কোনো কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে তার বিএড সনদের মূল কপি ও ১ সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অধ্যক্ষের জিম্মায় রাখার অনুরোধ করা হলো।

দুদকে তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন-রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক। তারা সবাই বিএড সার্টিফিকেট নিয়েছেন দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে, যেগুলো জাল হিসেবে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছে দুদক।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular