নিউজ ডেস্ক: গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সভায় হামলা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার নীলনকশা বলে মনে করছে বিএনপি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে দলটি বলেছে, দলগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে। অন্যথায় গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে সুযোগ করে দেওয়া হবে।
গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এসব কথা বলেন নেতারা। বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে সভার বিষয়ে জানায় বিএনপি। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
গোপালগঞ্জে হামলায় চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি বলেছে, শেখ হাসিনার সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে এনসিপির সমাবেশে আক্রমণ চালায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে ১৪৪ ধারা ও কারফিউ জারি করতে হয়।
বিএনপি আরও বলেছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রতিশ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ব্যাহত করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে।
সভায় বলা হয়, সম্প্রতি পুরান ঢাকায় ব্যবসায়ী লাল চাঁদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বিএনপিকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জড়িয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের শিষ্টাচারবিবর্জিত বক্তব্য ও স্লোগান গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে। বিশেষ করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বক্তব্য ও স্লোগান গোটা জাতিকে বিক্ষুব্ধ করেছে। সভায় এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানানো হয়।
সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।



