নিউজ ডেস্ক : রবিবার রাতে ঢাকায় মেট্রো রেলের চলাচল বাংলাদেশ সচিবালয় স্টেশনে মানুষ ছাদে ওঠার কারণে সাময়িক বন্ধ ছিল।
এ বিষয়ে সেখানকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কনস্টেবল মিশুক জানান যে একটা ছেলে নাকি ট্রেনের ওপরে উঠেছে। পরে যাত্রী এবং পুলিশসহ সবাই তাকে খুঁজতে শুরু করে। তখন আমরাও তাদের সঙ্গে বাচ্চাটাকে খোঁজাখুঁজি করি। দুই-তিনটা বগি খোঁজার পর যখন না পাই, তখন আমি কন্ট্রোলারকে বললাম যে যেহেতু একটা বাচ্চা ওপরে উঠেছে আপনি বিদ্যুৎ লাইন অফ করেন।
পরে সন্ধ্যা পৌনে ৯টার দিকে জানানো হয়, ঘটনায় কিশোরকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিশোরের দাবি—“৫০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে” সে মেট্রোর ছাদে উঠে ছিল; টিকিট সে অন্য একজনের মাধ্যমে কেটেছে।
এ বিষয়ে মেট্রো রেলের এক কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি বগির গ্যাপে ছোট ছোট স্পেস দেওয়া আছে এবং মইয়ের মতো ওঠার জায়গা আছে। মেট্রো রেলের যদি কখনো কোনো অসুবিধা দেখা দেয়, তখন এটা ব্যবহার করে ওপরে গিয়ে সংশোধন করা হয়। ওই ছেলে ওটাকে ছাদ বোঝাতে চাচ্ছে।
শহরের ব্যস্ত সময় শুরুর পর ভিড় ও ধাক্কাধাক্কির কারণে কিশোরটিকে ভেতরে থাকা নিরাপদ মনে হয়নি— ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী সে একটি গ্রিল ধরে ওপরে উঠে যায়।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ ও যাত্রীরা তাকে খুঁজতে থাকেন; পরে কয়েকটি বগি পরিদর্শন ও উচ্চস্থানে তল্লাশি চালিয়ে তাকে পাওয়া যায় এবং নিচে নামানো হয়।
মেট্রো কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রেনের প্রতিটি বগির গ্যাপে, ছোট স্পেস আছে যা শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়; সেটি ছাদ বোঝাতে কিশোর কীভাবে ব্যবহার করেছে।
কর্মকর্তা একথাও জানান, এই ধরনের আচরণ রেভিনিউ ক্ষয় এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। পুলিশের বক্তব্য—নাবালক হওয়ায় তার ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় সংশোধনমূলক ব্যবস্থার প্রয়োজন।
ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ দুর্ভাগ্য ও নিরাপত্তা জোরদার করার আশ্বাস দিয়েছে; যাত্রীদের প্রতি সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে এবং শিশুদের রেল স্টেশনে একা রাখার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সতর্কতা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে।



