আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি যুদ্ধবিরতি ভেঙে রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগারে নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।
মস্কো থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত রিয়াজান অঞ্চলের ওই শোধনাগারে হামলার পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ইউক্রেনের অভিযোগ, কিয়েভ আক্রমণ বন্ধ রাখলেও রাশিয়া ক্রমাগত তাদের জ্বালানি অবকাঠামোতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছিল।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনা। এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণে তিনি প্রতারিত বোধ করছেন।
ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার পরও ইউক্রেনকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ড্রোন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ‘স্টারলিঙ্ক’ যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সংঘাত থামানোর আশায় রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিষয়ে ট্রাম্প ও পুতিনের চুক্তিরও সমালোচনা করেন তিনি।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নিউজম্যাক্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, জেলেনস্কির সঙ্গে কাজ করা কঠিন এবং আমি তার খুব একটা ভক্ত নই। তিনি ইউক্রেনে নতুন নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিতও দেন
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাহারের আশঙ্কার মধ্যে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শীর্ষ সম্মেলন, ন্যাটো ও যুক্তরাজ্যের নেতাদের সঙ্গে সহায়তার লক্ষ্যে বৈঠক করছেন। তবে ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছে ইইউ।
সূত্র: NDTV




