নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছাবেন।
রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি দ্রুতই রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র পেশ করবেন এবং পরবর্তীতে মার্কিন মিশন পরিচালনা শুরু করবেন। ঢাকায় পৌঁছনোর পর তার সময়সূচি ও বহুমুখী হবে, কূটনৈতিক পর্যায়ে ব্যস্ত দিনগুলো তাকে অপেক্ষা করছে।
ক্রিস্টেনসেনের প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে, আগামি জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতে কূটনৈতিক সহযোগিতা দেওয়া; মানবাধিকার, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করাও তার অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবে। উল্লেখযোগ্য যে, এই দায়িত্বপালনের সময় তিনি নীতিনির্ধারণ ও মাঠ পর্যায়ের যোগাযোগ—উভয়েরই ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করবেন।
সূত্র জানায়, ঢাকায় যাওয়ার আগে রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি দল (মার্কিন দূতাবাসের তিন সদস্য) গত ৬ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন; সেখানে ক্রিস্টেনসেনের আগমন ও পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ এবং প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় তার আগের দিনের কাজগুলোর মধ্যে থাকবে, কারণ ২০১৯–২০২১ সালে তিনি ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে কাজ করেছেন; তাই স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশ ও নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পূর্বপরিচয় তার কাজকে গতিশীল করবে।
কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা বলছেন,ক্রিস্টেনসেনের আগমন দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে; বিশেষত বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তার ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। তাছাড়া রোহিঙ্গা বাস্তবে নিরাপদ পুনর্বাসন ও আন্তর্জাতিক সহায়তা সমন্বয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে সক্রিয় কূটনৈতিক ভুমিকা পালন করতে পারেন।
অচিরেই ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন রাষ্ট্রদূত পরিচয়পত্র পেশ করে অফিসিয়ালি কাজ শুরু করলে ঢাকায় মার্কিন মিশন ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে কৌশলগত আলোচনাসমূহ ত্বরান্বিত হবে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




