মশিউর রহমান সেলিম, কুমিল্লা প্রতিবেদক: কুমিল্লা জেলার বাণিজ্যিক নগরী খ্যাত লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও বরুড়া উপজেলাসমুহকে বিগত সরকার ‘গ্রাম হবে শহর’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে দেশব্যাপী কয়েক হাজার-কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড চালিয়ে গেলেও ৫ই আগষ্টের পর এ অঞ্চলের সকল কর্মকান্ড থমকে দাঁড়িয়েছে।
চলমান অর্থ বছরে ৩টি পৌরসভা ও উপজেলায় শত শত কোটি টাকা বরাদ্দে নানামুখি উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করলেও বৃহত্তর লাকসামের বেশ কিছু এলাকা এখনো অপরিকল্পিত স্মার্ট সিটি গড়ে উঠছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, আইনও বিধিমালা লংঘন করে যত্রতত্র ইমারত নির্মাণ, নির্ধারিত জায়গা ছেড়ে না দেয়া এবং ছাদ, কার্নিশ বড় করে তৈরী করা, দালান তৈরির ইট, বালু, সিমেন্ট, রডসহ আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র সদর রাস্তায় লোড-আনলোড করা এলাকায় যানজট ও জনচলাচলে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ভ্যান গাড়ি কিংবা ছোটখাটো পিকআপ ভ্যান ওই স্থানে গড়ে ওঠা দালান কোঠা কিংবা ঘর-বাড়িতে অগ্নিকান্ড, দৈব-দূর্বিপাকে দমকল বাহিনীর গাড়ি কিংবা অসুস্থ রোগীকে জরুরী হাসপাতালে নেয়ার জন্য এম্ব্যুলেন্সও প্রবেশ করতে পারে না।
এ ব্যাপারে উপজেলা-পৌরসভা প্রশাসন যেন নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।




