ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeউৎসব/দিবসশ্রীমঙ্গলে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বড়দিন পালিত

শ্রীমঙ্গলে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বড়দিন পালিত

মো: জহিরুল ইসলাম, স্টাপ রিপোর্টার : বুধবার ভোর হতেই শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনে বিভিন্ন রঙের বিভিন্ন বয়সী বিভিন্ন পুঞ্জি থেকে দলে দলে শ্রীমঙ্গলে ক্যাথলিক মিশনে বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নিতে আসে হাজারও খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা।

২৫ ই ডিসেম্বর বুধবার সকাল ৯ টায় শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়েছে।

জরি লাগিয়ে রঙিন করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ক্যাথলিক চার্চ (শ্রমিক সাধু যোসেফ ধর্মপল্লী) প্রাঙ্গণ। আশপাশে জ্বালানো হয়েছে রঙিন বাতি। ভেতরে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। বিশেষ প্রার্থনায় যোগ দিতে শহর ও শহরতলীর প্রত্যন্ত এলাকা থেকে এসেছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। তাদের সবার অংশগ্রহণে প্রার্থনা আর উৎসবের মধ্য দিয়ে শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনে উদযাপিত হলো খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শুভ বড়দিন। রবিবার বড়দিন পালিত হলেও এর আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগের দিন মঙ্গলবার থেকেই। মঙ্গলবার রাত থেকেই প্রার্থনা শুরু হয়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত আনন্দ উৎসব আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় এর আনুষ্ঠানিকতা। এর সঙ্গে ছিল বিশেষ খাবারের আয়োজন। কোনও কোনও বাড়িতে ও উপাসনালয়ে কীর্তনের পাশাপাশি ধর্মীয় গানের আসরও বসেছে।

প্রতিটি পুঞ্জির গির্জায় সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় গির্জায় গুলোতে নিরাপত্তার নিয়োজিত বিজিবি।
নিরালা পুঞ্জি, লাউয়াছড়া পুঞ্জি, লংলীয়া পুঞ্জি, ২ নং নাহার পুঞ্জি, জুলেখা পুঞ্জির গির্জায় গুলোতে বড় দিনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনের ফাদার জেমস্ শ্যামল গমেজ বলেন,‘এবারের প্রার্থনার মূল ভাবনা ছিল দেশ ও জাতির শান্তি এবং মঙ্গলকামনা বিশেষ প্রার্থনা। তিনি আরও বলেন, মানুষ যখন পাপের অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিলো, তখন তাদের সেই মুক্তির আলো ছড়াবার জন্য মুক্তিদান করার জন্য যীশু এই জগতে এসেছিলেন।’

শ্রীমঙ্গল ক্যাথলিক মিশনের ফাদার জেমস শ্যামল গমেজ সভাপতিত্বে শ্রীমঙ্গলে বড়দিনের আয়োজনে অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশন শ্রীমঙ্গল শাখার এছাড়া বড়দিনের অনুষ্ঠানে ধর্মপল্লির আওতায় মৌলভীবাজার জেলার ৭৪টি গ্রাম, চা বাগান ও খাসিয়া পুঞ্জির প্রায় সহস্রাদিক খিস্টান ধর্মাবলম্বী সব বয়সী নারী-পুরুষ অংশ নেন। মিশনের ফাদার গণ সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং যীশুর জন্মদিনের কেক কাটেন।

ধর্ম যার যার,উৎসব সবার। সকল ধর্মের মানুষ একে অপরকে ভাল বাসবে এই হচ্ছে ধর্মের বড় শিক্ষা। আসুন এই দেশকে সকলে মিলে সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তোলার জন্য আজকের এই শুভ বড়দিনে পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular