নিউজ ডেস্ক: সংবিধান বাতিল করলে দেশে বিভাজন তৈরি হবে এবং সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পতিত স্বৈরাচার হাসিনা ও তার দোসররা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করে পরিস্থিতি সংকটাপন্ন করতে পারে এমন মন্তব্য করেছেন গণফোরাম সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মিজানুর রহমান।
৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে কোন ব্যক্তি দল বা গোষ্ঠীর অপকর্মের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ করা সমীচীন নয় বলে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও ৭২ এর সংবিধান প্রশ্নবিদ্ধ করলে জুলাই ও আগষ্ট গণঅভ্যুথ্থানের পরাজিত শক্তি লাভবান হবে। তাই সংবিধান বাতিল নয় বরং সংবিধানের যৌক্তিক সংস্কারের মাধ্যমে জুলাই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ঐক্য সুসংহত রাখতে জাতীয় ঐক্য অক্ষুন্ন রাখার আহ্ববান জানান তারা।
সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে গণফোরাম সভাপতি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ মিজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও ৭২ এর সংবিধান প্রশ্নবিদ্ধ করলে জুলাই ও আগষ্ট গণঅভ্যুথ্থানের পরাজিত শক্তি লাভবান হবে। তাই ৭২ এর সংবিধান নয় গণ-অভ্যুত্থানে হাজার হাজার ছাত্র জনতার হত্যাকারী শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের মাধ্যমে সাজা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের সাজা দিতে চায় গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এসব বলা হয়।
তারা আরও বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ১৫ বছরের দুঃশাসনকালে সংবিধান লঙ্ঘন করে এবং অবৈধ সংশোধনী এনে জনতাকে নিষ্পেষিত করা হয়েছে সে দায় সংবিধানের নয়, অপরাধ করেছে শেখ হাসিনা, তাই বিচার করতে হবে শেখ হাসিনার।
৭২ এর সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জনআকাঙ্ক্ষার যে প্রতিফলন ঘটেছে তা পূরণে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে তাই পুনরায় জুলাই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে। সুতরাং ৭২ এর সংবিধানে সংস্কার এনে জুলাই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব এবং এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলেন মনে করেন গণফোরামের দু্ই কেন্দ্রীয় নেতা।



