নিউজ ডেস্ক : মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই নবায়ন বা হালনাগাদের সময়সীমা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মূল কর ও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে জরিমানা ছাড়াই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এবং একাধিক সংবাদমাধ্যম।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখা গত ২৩ আগস্ট এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদের বিশেষ সুযোগ শেষবারের মতো ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
যেসব কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে
বর্ধিত সময়ের মধ্যে মূল কর ও ফি জমা দিয়ে মোটরযানের—
- ফিটনেস সনদ
- ট্যাক্স-টোকেন
- রুট পারমিট
- ড্রাইভিং লাইসেন্স
জরিমানা ছাড়াই নবায়ন বা হালনাগাদ করা যাবে।
অর্থাৎ যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নবায়ন করতে পারেননি, তারা এই বাড়তি সময়ের সুবিধা নিতে পারবেন। তবে মূল কর ও সরকারি ফি পরিশোধ করতে হবে; ছাড়টি প্রযোজ্য হবে সংশ্লিষ্ট জরিমানা বা বিলম্বজনিত অতিরিক্ত অর্থের ক্ষেত্রে।
সরকারের প্রজ্ঞাপনে ২৯ অক্টোবরের সময়সীমাকে শেষবারের মতো বর্ধিত সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মোটরযানের মালিক ও ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হালনাগাদ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিনের বকেয়া কাগজপত্র হালনাগাদের ক্ষেত্রে এই সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব গাড়ির ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন বা রুট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের মালিকদের ২৯ অক্টোবরের আগেই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা উচিত।-
সরকারের এই সিদ্ধান্তে একদিকে মোটরযানের মালিক ও চালকেরা অতিরিক্ত জরিমানার চাপ ছাড়াই কাগজপত্র হালনাগাদের সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে নিয়মিত কর ও ফি আদায়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সরকারি কার্যক্রমও গতিশীল হবে।
সূত্র: সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপন




