ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedস্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ফরাজী

“স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে” জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান একথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী, মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং সমন্বিত সেবা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ এ ‘Health Innovation for All: Expanding Access to Affordable and Quality Healthcare’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আয়, অবস্থান বা সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য থাকা উচিত নয়। দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতি ও সক্ষমতা নিয়ে আমরা গর্বিত। তবে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে হলে শুধু রোগের চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, প্রতিরোধই চিকিৎসার চেয়ে উত্তম। সচেতনতা বৃদ্ধি, টিকাদান কর্মসূচি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Logo
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

জাতীয়

স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে: জুবাইদা রহমান

Advertisement

 

 

 

Icon

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

6Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
messenger sharing button
print sharing button
copy sharing button
স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে: জুবাইদা রহমান

 

 

রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ এর এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবার উদ্ভাবনকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।  

Advertisement

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সাশ্রয়ী, মানসম্মত ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য খাতে উদ্ভাবন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং সমন্বিত সেবা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’ এ ‘Health Innovation for All: Expanding Access to Affordable and Quality Healthcare’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান এসব কথা বলেন।  

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আয়, অবস্থান বা সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য থাকা উচিত নয়। দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অগ্রগতি ও সক্ষমতা নিয়ে আমরা গর্বিত। তবে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করতে হলে শুধু রোগের চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের ওপর অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, প্রতিরোধই চিকিৎসার চেয়ে উত্তম। সচেতনতা বৃদ্ধি, টিকাদান কর্মসূচি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনেক জটিল রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

আরও পড়ুন

সাত দফা দাবিতে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

সাত দফা দাবিতে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চ

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ যাতে স্বাস্থ্যসেবার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য না হন, সে জন্য মানুষের বাড়ির কাছাকাছি স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হবে। বিশেষ করে হৃদরোগ, ক্যানসার ও ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগের বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। 

হৃদরোগ দেশের অন্যতম প্রধান অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতনতা এবং উন্নত চিকিৎসাসুবিধার সমন্বয় ঘটাতে পারলে এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা সম্ভব। একইভাবে ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা আরও বিস্তৃত করতে হবে এবং ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করে রোগীকে নিশ্চিত রোগনির্ণয়, পরামর্শ, চিকিৎসা, ওষুধ, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় রেফারেল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular