আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফগানিস্তানে পাখতিয়া প্রদেশের গার্দেজে স্টেডিয়ামে তালেবান সরকার ভোর বেলায় এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে যা সুপ্রিম কোর্টের সামাজিক প্ল্যাটফর্মে ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হয়।
অভিযুক্ত হত্যাকারীর প্রাণদণ্ডের বিষয়য়ে প্রকাশ্যে কার্যকর করার কথা জানায় তালেবান কর্তৃপক্ষ। যে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ।
তালেবানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানিসহ জনসাধারণ, বয়স্ক বেসামরিক লোকজন, বিচার বিভাগের কর্মকর্তা এবং সামরিক কর্মকর্তারা এই প্রাণদণ্ডের বিষয়টি দেখেন। কর্তৃপক্ষ আগত লোকজনদের ক্যামেরা কিংবা মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে দেননি।
মৃত্যুদণ্ডের শিকার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আয়াজ আসাদ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে তালেবান নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে।
এই প্রাণদণ্ড কার্যকর করার ব্যাপারে তালেবানের শীর্ষ আদালত নির্দিষ্টভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন বন্দুকের গুলি ব্যবহার করে এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায় জনসাধারণ ঘটনাটি দেখতে স্পোর্টস স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছে।
এক বিবৃতিতে তালেবান সরকার জানিয়েছে, ‘এই মামলাটি নিবিড়ভাবে তিন পর্যায়ে পরীক্ষা করা হয়েছে ইসলামিক আমিরাতের সামরিক আদালত দ্বারা এবং তারপর এই প্রতিশোধমূলক বিচার বা কিসাসের আদেশ জারি করা হয়। ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার পর আফগানিস্তানে এটি ছিল হত্যায় অভিযুক্ত ষষ্ঠ ব্যক্তির প্রাণদণ্ড। তারা এখন অপরাধমূলক বিচারের ব্যবস্থাটি করছে ইসলামিক আইন শারিয়ার মাধ্যমে। আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে প্রাণদণ্ড দেওয়া হতো।
আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহযোগিতা মিশন এই প্রাণদণ্ড কার্যকর করার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জানায়, ‘কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের দায়িত্বের বিপরীত এবং তা বন্ধ করতে হবে।’



