নিউজ ডেস্ক : রিহ্যাব ফেয়ার ২০২৫ পর্দা নামছে—আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই আবাসন মেলায় দেখা গেছে কেনাবেচা-কেন্দ্রিক উৎসাহ; বিশেষ করে মাঝারি মাপের ফ্ল্যাটে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি ছিল। মেলার অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইস্টার্ন হাউজিং, র্যাংগস প্রপার্টিজ, অ্যাসিউর গ্রুপ ও সপ্তক গৃহায়ণ উল্লেখযোগ্য অংশ নিয়েছে এবং দর্শনার্থীরা বিকল্প প্রকল্প দেখার পাশাপাশি বুকিং-অফার ও সুযোগসুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন।
প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ক্রেতাদের চাহিদা চলছে প্রায় ১,২০০–১,৮০০ বর্গফুট আয়তনের মধ্যম মাপের ফ্ল্যাটের দিকে; অনেকে সরাসরি ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ হিসেবে প্লট দেখছেন। গুলশান, ধানমন্ডি ও আফতাবনগরের প্রকল্পে প্রতি বর্গফুটের দাম ভ্যারিও করে—গুলশানে ৩৫–৩৮ হাজার টাকা, ধানমন্ডিতে ২৫–২৭ হাজার ও আফতাবনগরে ১২–১৩ হাজার টাকার মতো ট্যারিফের উদাহরণ মেলা কর্তৃপক্ষ ও ডেভেলপাররা জানিয়েছেন। মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠাগুলো ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে মূল্যছাড়, ফ্রী কিচেন ক্যাবিনেট, গাড়ি-ড্র বা অন্যান্য পুরস্কারসহ নানা অফার রেখেছে।
বাজার পরিকল্পনাকারীরা বলছেন, সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে মেলার দর্শকসংখ্যা গতবারের তুলনায় কিছুটা কম—তবু বিকেলের দিকে ভিড় বেড়ে মেলার শেষ দিনে ক্রেতা-আগ্রহ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। ডেভেলপারদের মতে, মাঝারি মাপের ফ্ল্যাটে প্রচুর স্টক থাকা এবং ক্রেতাদের বাস্তবচাহিদাই এখন বিক্রয়কে উৎসাহ দিচ্ছে।
বিনিয়গকারী ও ক্রেতা-সচেতনতার দিক থেকে মেলার গুরুত্ব অপরিসীম—কেনাবেচার সময়ে ক্রেতাদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে: প্রকল্পের NOC, জমির স্বচ্ছতা, বিল্ডিং ফাইন্যাশিয়াল প্ল্যান, পে-মেকানিজম ও ডেভেলপার রেপুটেশন যাচাই করুন; কাগজপত্র দেখে এবং আইনগত পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি অনেক কমে যাবে। রিহ্যাব ফেয়ার শেষ হলেও ডেভেলপারদের অফার এবং মেলা-বিশেষ ছাড় কিছু সময় প্রসারিত থাকতে পারে—তাই আগ্রহীরা অফিসিয়াল ক্যানভাসে যোগাযোগ করে চূড়ান্ত শর্ত জানেন।
রিহ্যাব মেলায় দর্শক-প্রবাহ ও ক্রেতা-আগ্রহ মিশ্র প্রতিচ্ছবি রেখে শেষ হচ্ছে; বাজারে মাঝারি আকারের ফ্ল্যাটের চাহিদা শক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে নির্মাণ-তথা বিক্রয়ে এই সেগমেন্ট গুরুত্ব পাবে, আর ক্রেতাদের জন্য যথাযথ যাচাই-বাছাই আর অর্থায়ন পরিকল্পনা এখন চাবিকাঠি।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




