ক্রীড়া ডেস্ক: চলতি বছরের নভেম্বরে সৌদি আরবে বসবে ই-স্পোর্টসের বিশ্বকাপখ্যাত ই-স্পোর্টস নেশনস কাপ। প্রথমবারের মতো এই আসরে অংশ নেবে বাংলাদেশ।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর তোপখানা রোডের হোটেল এশিয়া অ্যান্ড রিসোর্টসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মুনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘ই-স্পোর্টস নেশনস কাপে বাংলাদেশ ১৫টি ভিন্ন ভিন্ন ই-স্পোর্টস শিরোনামে অংশ নেবে। যেখানে মোট প্রাইজপুল ২২০ কোটি টাকারও বেশি। এটি দেশভিত্তিক ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় আয়োজন। এই ঐতিহাসিক আসরের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’
বাংলাদেশসহ ১৫০টি দেশ অংশ নেবে এবারের আসরে। ১৫টি ইভেন্টে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবেন ৫০ জন গেমার। টিম বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে দলের ম্যানেজার আগা রাফসান জানান, বাছাইপর্বে বাংলাদেশকে প্রথম এশিয়ার দেশগুলোর বিপক্ষে লড়তে হবে। লিডার বোর্ডের ২-৩-এ থাকলেই মূলপর্বে খেলতে পারবে বাংলাদেশ। মূলত সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের গেমাররা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এই টুর্নামেন্টের জন্য সারা দেশ থেকে প্রায় ১৫০০ গেমার রেজিস্ট্রেশন করে। সেখান থেকে ট্রায়াল এবং একাধিক ধাপের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত দল গঠিত হয়েছে।
ইভেন্টের তিন কোচ ফারহান ইসলাম, মো. আবিদ হোসেন এবং নাজমুস সাকিব গণমাধম্যকে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানান। তারা বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে জাতীয় দলের জন্য গেমার বাছাই করা হয়েছে। বেশ জোরেশোরে চলছে দলের প্রস্তুতি। যেহেতু মূল আসর শুরু হতে এখনো বেশ কয়েক মাস বাকি, তাই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে বিশ্বাস তাদের।
এ সময় তারা আরও জানান, গেমপ্লে কৌশলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রশিক্ষণও চলছে সমানতালে।




