ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়উন্নত সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হল শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা

উন্নত সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হল শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: ১৯ জুন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া- উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে নির্মাণাধীন ৪৪ টি পাবলিক লাইব্রেরীর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, উন্নত সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হল শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা।তাই প্রতিটি উপজেলায় একটি করে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে ১১ জেলার ৪৪ টি উপজেলায় পাবলিক লাইব্রেরী নির্মাণে প্রতিটিতে ৫৩ লক্ষ টাকা করে সর্বমোট ২৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই স্বপ্নে সবাইকে শামিল হয়ে জ্ঞানকেই আমাদের উত্তরণের পথ করার আহবান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের।

উপদেষ্টা আরো বলেন, যেসব উপজেলায় শিক্ষার হার এবং দারিদ্রের হার কম সেসব এলাকা (বিশেষত উত্তরবঙ্গ) বিবেচনায় এনে মানসম্মত লাইব্রেরীর নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট এবং জ্ঞান চর্চায় উৎসাহিত করতে লাইব্রেরীর নির্মাণশৈলী, পরিবেশ এবং ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান আসিফ মাহমুদ। দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ লাইব্রেরী নির্মাণের এই কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা প্রতিহিংসার বশবর্তী না হয়ে প্রকৃতপক্ষে বঞ্চিত এলাকাগুলোতে বাজেটের সুষম বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং লাইব্রেরী নির্মাণেও সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের আসিফ মাহমুদ বলেন, নগর ভবন বন্ধের বিষয়ে সরকার যথেষ্ট ধৈর্য এবং আন্তরিকার পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু নাগরিক সেবা প্রায় ৩০-৪০% কমে গিয়েছে। এতদ্‌বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন প্রান্তিক পর্যায়ে অবহেলিত এলাকাগুলোতে এসব আধুনিক লাইব্রেরী স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবহেলিত এলাকায় এসব প্রকল্প বিস্তার লাভ করবে, প্রান্তিক পর্যায়ে মানুষের কথা বিবেচনা করে নান্দনিক ডিজেইনের লাইব্রেরী স্থাপন করা হচ্ছে, এসব লাইব্রেরীর যেন সকল সুযোগ সুবিধা সম্মলিত গুণগত মান বজায় থাকে, প্রযুক্তির কারনে মানুষ অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত তাই তাদের কথা মাথায় রেখেই এসব আধুনিক ও প্রযুক্তি সুবিধা সম্বলিত  লাইব্রেরী স্থাপিত হচ্ছে। এসব লাইব্রেরীতে মানুষ যেমন জ্ঞান আহরন করতে পারবে তেমনি এটা বিনোদনেরও কেন্দ্র হবে। শিক্ষার্থীরাও এখানে এসে জ্ঞান আহরন করতে পারবে।

শিক্ষার সংস্কৃতি বিকাশে লাইব্রেরী গুলো ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আরো বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।এছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা নিউজ/এস 

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular