নিউজ ডেস্ক : সরকারের প্রতিশ্রুতির পরও এখনও রেশন সুবিধা পাচ্ছেন না তৈরি পোশাক শ্রমিকরা। কারণ হিসেবে লাল ফিতার দৌরাত্ম্যকে দায়ী করছেন শিল্প মালিকরা। যদিও নিজেরা প্রস্তুত দাবি করে টিসিবি জানাচ্ছে, মালিকপক্ষ থেকে সঠিক তথ্য না পাওয়ায় পণ্য দিতে পারছেন না তারা। এ অবস্থায় শুধু পোশাক খাতে নয়, বাজার বাস্তবতায় যেন সব শ্রমিক সমান সুবিধা পায়, সরকারকে সে উদ্যোগ নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।
উচ্চমূল্যের বাজারে শ্রমিকদের সুবিধা দিতে গত নভেম্বরে তাদের বেতন বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৯ শতাংশ, যা মেনেও নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তবে প্রশ্ন তুলেছেন কেন রেশন পাচ্ছেন না শ্রমিকরা?
২০২৩ সালের নভেম্বরে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে যখন সাড়ে ১২ হাজার টাকা করা হয়, তখনই আশ্বাস দেয়া হয়েছিল রেশন সুবিধাও পাবেন তারা। এরপর নানা উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর গত অক্টোবরে পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু করে বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়। তবে তা চালু রাখেনি সরকার।
বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, ০ লাখ শ্রমিকের জন্য রেশন চালু হওয়ার কথা ছিল, সেটা হচ্ছে না কেন! ১৮ দফার যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে শ্রমিকদের একটা বড় দাবি ছিল রেশনিং চালু করা।
টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিজিএমইএ’কে চিঠি দিয়েছে টিসিবি। এতে তাদের কোন গার্মেন্টসে কত শ্রমিককে পণ্য দিতে চায়, সেই তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত তালিকা পাইনি। তবে টিসিবি প্রস্তুত আছে।
র্যাপিড চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, সরকারকে এমনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যেন সব শ্রমিককে সুবিধাটা দেয়া যায়।
আগস্ট-সেপ্টেম্বরের শ্রমিক অসন্তোষ থামাতে যে ১৮ দফা স্বাক্ষর করেছে শ্রমিক, মালিক ও সরকার পক্ষ; সেখানেও অগ্রাধিকার পেয়েছে শ্রমিকদের রেশন দেয়ার বিষয়।



