অর্থনীতি ডেস্ক:এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এর আগে মার্চে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। গত মাসে শহরের মতো গ্রামেও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। তাতে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিবিএস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২৬) টানা চার মাস মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চে তা কমে দাঁড়িয়েছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। তবে এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এর মানে হলো, গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি ছিল। গত এপ্রিলে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের মাসে এটা ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এপ্রিলে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। যা মার্চে ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ।
গ্রাম-শহরেও এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি দাঁড়িয়েছে। গত মাসে গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। তার আগের মাসে (মার্চ) এটি ছিল ৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। এপ্রিলে শহরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০২ শতাংশ। মার্চে এটা ছিল ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায় এর প্রভাব পড়ে মানুষের জীবনযাত্রায়। ফলে ভোক্তাদের আগের তুলনায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।
গত দুই সপ্তাহে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে শাকসবজির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। কাঁচা পেঁপের কেজি ৮০ টাকা ছুঁয়ে গেছে। অধিকাংশ সবজির দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।




