চবি প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে বলেছেন বাংলাদেশ সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমরা সহায়তা করব। আবাসন সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হোস্টেল নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করুন- ব্যবস্থা হয়ে যাবে। ”
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর না করে সমাজের সব অংশকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারের ভূমিকা হবে সহায়ক, মূল উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে সম্মিলিতভাবে।
ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে মন্দির স্থাপনকে একটি ভিন্নধর্মী ও ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, “ এটি দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতিফলন। আমাদের সমাজে ডাইভার্সিটি রয়েছে এবং সেই বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্য বজায় রাখতে হবে। বৈচিত্র্য ছাড়া কোনো কিছু উন্নত হতে পারে না। ”
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ‘সংখ্যালঘু’ শব্দকে কেন্দ্র করে বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সব নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। সংখ্যালঘু শব্দ ব্যবহার করার মধ্যেই সমস্যা রয়েছে। আমি সংখ্যালগু, সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী নই। বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে ‘রঙধনু জাতি’ গঠন, যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সংস্কৃতির মানুষ সমান মর্যাদায় সহাবস্থান করবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আল ফোরকানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড.কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও অদুল-অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।




