জাপানের বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও মডেলের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ঢাকায়। এতে রয়েছে টয়োটা প্রিয়াস, করোলা ক্রস, হ্যারিয়ার, নোয়া, ভক্সি, আলফার্ডসহ আরও অনেক আকর্ষণীয় মডেলের গাড়ি।
রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বারভিডা কার এক্সপোতে এই রিকন্ডিশন্ড গাড়ি প্রদর্শিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তিন দিনের এই প্রদর্শনী শুরু হয়। শনিবার প্রদর্শনী শেষ হবে। গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।
৬৬০ সিসির জাপানি কে-কার (Kei Car) হলো জাপানের বিশেষ ধরনের হালকা ও ছোট আকৃতির মোটরগাড়ি, যা দেশটির সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৬৬০ সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট মাপের (দৈর্ঘ্য ৩.৪ মিটার, প্রস্থ ১.৪৮ মিটার ও উচ্চতা ২ মিটার) মধ্যে তৈরি করা হয়।
প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা
• জ্বালানি সাশ্রয়ী: ছোট ইঞ্জিনের কারণে এসব গাড়ি দারুণ মাইলেজ দেয় (যেমন- হাইওয়ে বা দূরযাত্রায় প্রতি লিটারে প্রায় ১৭ থেকে ১৮.৭ কিলোমিটার বা তার বেশি যায়)।
• শহরের জন্য উপযোগী: আকার ছোট হওয়ায় জ্যামের মধ্যে সহজে চালানো যায় এবং পার্কিং করা সহজ।
• জনপ্রিয় মডেলসমূহ: বাংলাদেশে ও জাপানে বেশ কিছু জনপ্রিয় কে-কার হলো—
• Toyota Pixis Epoch (দাম সাধারণত ১৭ লাখ টাকা বা তার আশেপাশে থেকে শুরু হয়)
• Daihatsu Tanto (প্রশস্ত কেবিনের জন্য জনপ্রিয়)
• Suzuki Alto ও Suzuki Wagon R
• Honda N-Box
• Honda S660 (স্পোর্টি কে-কার)
বর্তমান প্রেক্ষাপট: বাংলাদেশ
• ঢাকার বসুন্ধরায় আয়োজিত বারভিডা কার এক্সপো ২০২৬-এ জাপানি রিকন্ডিশন্ড কে-কার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্রদর্শিত হচ্ছে।
• বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)-এর পক্ষ থেকে শহরের যানজট ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বিকল্প হিসেবে ৬৬০ সিসির কে-কার আমদানিতে কর ও নীতিগত সুবিধা দেওয়ার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।