নিউজ ডেস্ক : মাদাগাস্কারে বিদ্যুৎ ও পানির ক্রমাগত ঘাটতি ও পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার প্রতিবাদে ‘জেন-জি’ প্রজন্মের তরুণ নেতৃকৃত বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শহরে। দেশটির রাজধানী আন্তানানারিভোতে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নিতে থাকে।
বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন —“আমরা বাঁচতে চাই, শুধু টিকে থাকতে নয়”।
মাদকাস্কারের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনের মধ্যে এইআন্দোলনে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে মাদাগাস্কারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সংখ্যা টা ‘গুজব’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিক্ষোভ দমনে কর্তৃপক্ষ কারফিউ ঘোষণা করে, সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত রাস্তায় চলাচল সীমিত করা হয়। এছাড়া, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। প্রতি দিন বিক্ষোভ আরও শক্তিশালী রূপ নেয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হওয়া আন্দোলন সরলীকৃত রাজনীতিক দাবিগুলোতে রূপ নেয়। তারা জোরদার দাবি করে — প্রধানমন্ত্রী এবং সরকারের পদত্যাগ, রাষ্ট্রপ্রধানেরও দায় স্বীকার, এবং দেশব্যাপী পরিষেবা পুনর্বহাল।
আরো পড়ুন: জেন-জিদের বিক্ষোভে উত্তাল মাদাগাস্কার; রাজধানীতে কারফিউ, সরকারের পদত্যাগ দাবি

এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর, প্রেসিডেন্ট আন্দ্রি রাজোয়েলিনা ঘোষণা দেন যে তিনি প্রধানমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান ন্সে নিয়ে গঠিত সরকারকে বরখাস্ত ও অকার্যকর ঘোষণা করছেন।
রাজোয়েলিনা বলেন, যারা দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি, তাদের প্রতি ক্ষমা প্রার্থনা করছি, এবং আগামী তিন দিনে নতুন প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
যাইহোক, সরকারের বিলুপ্তি হয়েই শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারেনি। আন্দোলনকারীরা সামনে আনে একটি উচ্চ দৃষ্টান্ত — প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করলেই হবে না, রাষ্ট্রপতিরও পদত্যাগ দাবি করে।
ঢাকানিউজ ২৪/মহফ



