জালাল উদ্দিন মন্ডল নান্দাইল প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইয়াসিন মিয়া নামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের নিখোঁজ হওয়ায় থানায় জিডি ও অভিযোগ করার করার পর ২৫ দিন পার হয়ে গেলেও নিখোঁজ এয়াসিনকে উদ্ধার করতে পারেনি নান্দাইল মডেল থানার পুলিশ। সাধারণ ডায়েরি ও লিখিত অভিযোগের পরও উদ্ধার তৎপরতায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ইয়াসিনের পরিবার ও এলাকাবাসী পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ৯ই মার্চ থেকে নিখোঁজ হওয়ার ২৫ দিন পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলাতে পারেনি নান্দাইল মডেল থানার পুলিশ।
জানাযায়, নিখোঁজ ইয়াসিন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই কোনাঘাটা গ্রামের কৃষক মো. হারুন মিয়ার ছেলে। গত ৯ মার্চ রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি । এ ঘটনায় গত ১৬ মার্চ নিখোঁজ এাসিনের বাবা হারুন মিয়া নান্দাইল মডেল থানায় একটি জিডি করেন। এছাড়া পরভর্তিতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী পুরহরি গ্রামের ফয়সাল মিয়া ও সেলিম মিয়া গংদের নামে থানায় অপহরণের লিখিত অভিযোগ দেয় এয়াসিনের বাবা হারুন মিয়া ।
নিখোঁজ ইয়াসিনের বাবা হারুন মিয়ার দাবি, অভিযুক্তরা ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। পুলিশের কাছে সব তথ্য দেওয়ার পরও তাদের অবস্থান শনাক্ত বা গ্রেফতার করতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।যদি অভিযুক্তদের আটক করতে পারত তাহলে অবশ্যই আমার ছেলের সন্ধান পাওয়া যেত। তিনি আরো বলেন, ২৫ দিন পার হলেও আমার ছেলেটা বেঁচে আছে কি না তাও জানি না, পুলিশ সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছে না, তাদের এই অবহেলার কারণে আমাদের মনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে ।
প্রশাসনের এমন ‘রহস্যজনক নীরবতা অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে নিখোঁজ এয়াসিনের পরিবার ও এলাকাবাসী লোকজন মনে করছেন।
এ বিষয়ে জিডি ও অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) দেবলাল সরকার জানান, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি, এমনকি দফায় দফায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত সন্ধানের কোনো আপডেট পাওয়া যায়নি। এছাড়া বিষয়টি গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাও তদন্ত করছেন।




